নতুন বছরে মেদভুঁড়িকে বিদায় জানানোর সহজ কৌশল
নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও সঠিক জীবনযাপন শরীরের বাড়তি মেদ জমা বা ভুঁড়ি হওয়া থেকে রক্ষা করে। নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও সঠিক জীবনযাপন শরীরের বাড়তি মেদ জমা বা ভুঁড়ি হওয়া থেকে রক্ষা করে। মেদভুঁড়ি নিয়ে ভাবনা আর না, আর না। বিব্রতকর পেটের মেদ নিয়ে চিন্তা করেন না এমন লোক পাওয়া খুব কঠিন। তবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে অভ্যস্ত হলে সহজে মেদ কমিয়ে ফেলা সম্ভব। তাহলে জেনে নেওয়া যাক, নতুন বছরে পেটের মেদ বা ভুঁড়ি থেকে বাঁচতে কী কী করতে হবে।
বিব্রতকর পেটের মেদ নিয়ে চিন্তা করেন না এমন লোক পাওয়া খুব কঠিনপানি পান করুন বেশি করে। অবাক শোনালেও স্বাস্থ্য রক্ষা ও ওজন কমাতে পানি পানের বিকল্প নেই। শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখা মেদ ঝরাতেও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।পানি পানের সঙ্গে সঙ্গে গ্রিন টি, লাল চা, দুধ ছাড়া কফি বা ফলের রসও স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। পানি দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি রাখে আর অসময়ে অস্বাস্থ্যকর খাবারের থেকে আপনাকে দূরে রাখে।
অতিরিক্ত মিষ্টি খাবেন না। মিষ্টান্ন বা ডেসার্টে থাকে অসম্পৃক্ত তেল এবং প্রচুর পরিমাণে চিনি। চিনি আমাদের শরীরে থেকে যায় অনেক বেশি সময় ধরে এবং ওজন কমতে দেয়ে না। এরই মধ্যে পরে কার্বনেটেড কোমল পানীয়ও।
একবার পেটে মেদ জমলে সেটা কাটিয়ে ওঠা যাবে না, এ ধারণা ভুল প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে চেষ্টা করুন। প্রোটিন হজম হতে সময় লাগে, তাই অসময়ে খিদে পায় না এবং একই সঙ্গে শরীরে শক্তি জোগায়। মাছ, মাংস, ডিমের বাইরে প্রোটিন থাকে ডাল, কাঠবাদাম, সবুজ শাকসবজি এবং ওটসে।লবণের পরিমাণ কমান। লবণের সোডিয়াম থেকে হয় ব্লোটিং বা পেট ফুলে যাওয়া। আর তাতে কমে যায় শরীরের বিপাকীয় গতি যার জন্য ভুড়ি কমানো হয়ে ওঠে কষ্টকর।সময় আনুযায়ী খান এবং যথেষ্ট ঘুমান। শরীরচর্চা করায় এটাই প্রথম পদক্ষেপ। অসময়ে খেলে, বিশেষ করে রাতে, ভালো ভাবে হজম হয়ে না খাবার আর তাতে বাড়ে ভুড়ি। প্রতিদিন ৭/৮ ঘণ্টা ঘুম সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি।
খবর সারাবেলা / ০৩ জানুয়ারি ২০২২ / এমএম




