সুরভিত সৌরভে

সৌন্দর্যচর্চার ক্ষেত্রে সুগন্ধি দ্রব্যের গুরুত্বই আলাদা। তরুণ, বৃদ্ধ, পুরুষ, নারী সবার কাছে সুগন্ধির চাহিদা ব্যাপক। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তির রুচির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বয়স এবং রুচিভেদে বাজারে বিভিন্ন প্রকার সুগন্ধি পাওয়া যায়। শৌখিনতার সঙ্গে যারা ঐতিহ্যকেও প্রকাশ করতে ভালোবাসেন, তাদের কাছে আতরের বেশ কদর আছে।

হাজার বছর আগে থেকেই সুগন্ধি ব্যবহার হয়ে আসছে। দিন দিন সুগন্ধির ব্যবহার বেড়েই চলছে। সুগন্ধি ব্যবহারে আরবরা সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল। বর্তমানে বিশ্বের সব দেশেই কমবেশি সুগন্ধি ব্যবহার করা হয়। সব শ্রেণীর লোকেরাই সুগন্ধি ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। অনেক বছর আগে সুগন্ধি ‘আতর’ নামে সুপরিচিত ছিল, কিন্তু বর্তমানে আতরের পাশাপাশি পারফিউমও পরিচিতি লাভ করেছে। ঊনিশ শতকে পারফিউমের সূচনা লক্ষ করা যায়। সেই সময় সিনথেটিক পারফিউম ব্যবহার হতো ফুলের প্রক্রিয়াজাত করে।

সিনথেটিক পারফিউমকে প্রক্রিয়াজাত করে আরও উন্নত করা হয়। ভারত মহাদেশে মোগল আমল থেকে সুগন্ধির ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। এ সময় গোলাপ ও বেলি ফুল দিয়ে সুগন্ধি বা পারফিউম তৈরি করা হয়। যুগ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পারফিউমও পরিবর্তন হয়েছে। এ সময়ের ফ্যাশনে পারফিউম একটি অংশ। আধুনিক জীবনের লাইফ স্টাইলের পারফিউম একটি অংশ, যা আমাদের মানসিক পরিতৃপ্তি এবং কোনো কাজে উদ্যম পেতে সাহায্য করে। পারফিউমের সুগন্ধ আমাদের মনকে সতেজ এবং দেহকে চাঙ্গা করে দেয়।

সুগন্ধি ব্যবহার

সারা বছরই সুগন্ধি ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। গ্রীষ্মকালে এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়। কারণ গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে শরীরের ঘামের উৎকট গন্ধ থেকে সুরক্ষা দেয়। বিশ্বের সব নারী-পুরুষ সুগন্ধি ব্যবহার করে থাকেন। পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি ব্যবহার করে থাকেন, কারণ নারীরা ফ্যাশনে খুব সচেতন। নারীদের সুগন্ধি বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

কিছু থাকে নিত্যদিনের জন্য, কিছু থাকে কোনো বিশেষ দিনের জন্য, যেমন—জন্মদিন, বিয়েসহ নানা প্রোগ্রামে। পুরুষদের মধ্যে যারা নিজের প্রতি সচেতন এবং নিজেকে অন্যের কাছে উত্তমরূপে উপস্থাপন করতে পছন্দ করেন তারা সুগন্ধির ব্যবহার পছন্দ করেন। সুগন্ধি ব্যবহারকারী দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমানে সুগন্ধি ছাড়া চলেই না। সুগন্ধি ছাড়া যেন সাজই অসম্পূর্ণ থাকে।

উপহার সামগ্রী

আপনি আপনার প্রিয় মানুষকে সুগন্ধি উপহার দিতে পারেন, ভালো কোনো পারফিউম ব্যবহারে তার মনটা ভালো করে দিতে পারে ।

খবর সারাবেলা / ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ / এমএম