ভালো ঘুম চান? রাতেও ওটস খান

এক সময়ের বিদেশি খাবার হিসেবে পরিচিতি পেলেও শহুরে বাঙালির টেবিলে জায়গা করে নিয়েছে ওটস। সকালের নাস্তায় শিশু-কিশোরদের অনেকেই ওটমিল খান। বড়দেরও পছন্দ এটি। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সকালের নাস্তার পাশাপাশি রাতেও খাওয়া যেতে পারে ওটমিল। তাতে অনিদ্রা দূর হয়।

সকালে যদি খান তবে সেটা হোক দুই কিংবা দইয়ের সঙ্গে। আর রাতে খেলে খিচুড়ি হিসেবে। এই খাবার অতিরিক্ত ফাইবার যুক্ত হওয়ায় স্বাস্থ্যে উপকারও হয় অনেক।যদিও চিকিৎসকরা বলছেন, ওটস‌ খাওয়ার জন্য কোনও সময় নির্ধারিত নেই। যেকোনো সময়ই ওটমিল খাওয়া যেতে পারে। তবে সকালে ও রাতে খেলে বেশি শক্তি মেলে।ওটসে থাকে এক ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড, নাম ট্রিপটোফান। এর প্রভাব স্নায়ুর উপরে পড়ে। তাতে হালকা আচ্ছন্ন ভাব আসে শরীরে। তাই পেট ভরে ওটস খেয়ে বিশ্রাম নিলে বেশ তাড়াতাড়ি ঘুম এসে যায়।

বিদেশি এক পত্রিকায় প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, এই খাবারের প্রভাবে শরীরে ইনসুলিনও তৈরি হয়। সেই ইনসুলিনের প্রভাবে আবার ট্রিপটোফ্যান পৌঁছায় মস্তিষ্কে। সেখানে গিয়ে তার থেকে সেরোটনিন তৈরি হয়। সেরোটনিন হল সেই পদার্থ যার মাধ্যমে ঘুম, মনের ভাব, ব্যথা-বেদনার অনুভূতি নিয়ন্ত্রিত হয়।সেরোটনিন শরীররে পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি হলে উদ্বেগ-অবসাদ কম থাকে। আর ঘুম ভাল আসে। ফলে রাতের দিকে ওটস খেলে নিশ্চিন্ত নিদ্রা লাভ করা যেতেই পারে।

খবর সারাবেলা / ১৫ আগস্ট ২০২১ / এমএম