করোনার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি মিরপুরে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে এ নিয়ে মোট ৭৫ জনের এই ভাইরাসে মৃত্যু হলো। আর নতুন করে ২৬৬ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮৩৮ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে ৪৬ শতাংশই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মিরপুরে ১১ শতাংশ।
রাজধানীতে করোনাভাইরাস প্রথমে টোলারবাগে শনাক্ত হলেও এখন তা মিরপুরের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর মোহাম্মদপুর, ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ীতে ৪ শতাংশ করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ধানমন্ডিতে ৩ শতাংশ রোগী পাওয়া গেছে।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে নিজে বাসা থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, করোনা শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ১৯০টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এতে আরও ২৬৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে এক হাজার ৮৩৮ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ১৫ জন। এতে মৃতের সংখ্যা হয়েছে ৭৫। আক্রান্তদের মধ্যে আরও নয়জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৮ জন।
আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফ্লোরা জানান, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর বয়স বিভাজনে দেখা যায়, আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ২১ শতাংশ ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী। ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী প্রায় ১৯ শতাংশ এবং ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৫ শতাংশ। বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২১ থেকে ৫০ বছর বয়সী মানুষের মধ্যেই সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ। নারী-পুরুষ বিভাজন দেখা যায়, ৬৮ শতাংশ পুরুষ ও ৩২ শতাংশ নারী আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়।
খবর সারাবেলা / ১৭ এপ্রিল ২০২০ / এমএম




